Thursday , October 18 2018
Breaking News
starsports

বিপিএলে হঠাৎই ব্যাটসম্যান হয়ে উঠলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে l

ইসলামের উদ্‌যাপনটা বেশ মজার। উইকেট পেলেই হাত দিয়ে ফণা তোলেন। তাঁর বোলিংয়ে যে আসলেই কিছু বিষ আছে, সেটি কাল টের পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। নাজমুলের অসাধারণ বোলিং আর মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে রংপুরকে ৪৯ রানে হারিয়েছে রাজশাহী কিংস।

এমনিতে মিরপুরে সন্ধ্যার ম্যাচে খুব একটা রানবন্যা দেখা যায় না। রাজশাহীর দেওয়া ১২৯ রানও যে রংপুরের সামনে বিরাট বাধা হয়ে যাবে, অনুমান করা যাচ্ছিল। মিরাজ-নাজমুলদের ঘূর্ণিতে সেটি হলোও। রংপুর লক্ষ্যে পৌঁছাবে কী, ব্যাটসম্যানরা সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকল যাওয়া-আসায়।

সৌম্য সরকারকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে রংপুরের ধস শুরু মিরাজের হাতে। রাজশাহী অলরাউন্ডার পরে তুলে নেন নাসির জামশেদকেও। তবে রংপুরের ব্যাটসম্যানদের কাছে সবচেয়ে বেশি দুর্বোধ্য ছিল নাজমুলের বোলিং। রাজশাহীর বাঁহাতি স্পিনার ৪ ওভারে ৮ রান দিয়ে ১ মেডেনসহ নিয়েছেন ৩ উইকেট।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে মিরাজকে দেখা গেছে দুর্দান্ত বোলার হিসেবে। বিপিএলেও তাঁকে শুধু বোলার হিসেবেই দেখা যাচ্ছে। তবে অনেক দিন পর ব্যাটসম্যান মিরাজকেও দেখা গেল কাল। আগের ৮ ম্যাচে ৬ ইনিংসে করেছেন ২০ রান। হতে পারে ব্যাটিং অর্ডারে বারবার পরিবর্তন আর ম্যাচ পরিস্থিতির কারণেই ব্যাটসম্যান মিরাজকে দেখা যায়নি এত দিন।

রাজশাহীর বিপর্যয় কাল ব্যাটিংয়ের সুযোগ করে দিল তাঁকে। যখন তিনি ব্যাটিংয়ে নামেন, ৮.৪ ওভারে ৪১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে রাজশাহী। তাঁর সামনেই ফিরে যান দলের অন্যতম ভরসা সাব্বির রহমান। চ্যালেঞ্জিং স্কোর হবে কী, ৪৩ রানে ৭ উইকেট হারানো রাজশাহীর সামনে তখন অলআউট হওয়ার শঙ্কা! মিরাজের রান তখন ১।

চাপের মুখে অসাধারণ খেলার সামর্থ্যটাই আরেকবার প্রমাণ করলেন মিরাজ। শুরুর দিকে কোনো বাউন্ডারি মারার ঝুঁকি নেননি। এক-দুই করে স্ট্রাইক রোটেট করেছেন। প্রথম বাউন্ডারিটা তৃতীয় বলে মারলেও পরেরটির জন্য অপেক্ষা করেছেন ২৩ বল। মিরাজ সবচেয়ে আক্রমণাত্মক হয়েছেন রুবেল হোসেনের করা শেষ ওভারে। প্রথমে স্কুপে চার, পরের বলেই উড়িয়ে মেরেছেন লং অফ দিয়ে। শেষ পর্যন্ত রাজশাহী অলরাউন্ডার অপরাজিত ৩৩ বলে ৪১ রান করে। টি-টোয়েন্টিতে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ।

এক প্রান্তে মিরাজ, আরেক পাশে জ্বলে ওঠেন ফরহাদ রেজা। ৩২ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে তাঁর চার-ছক্কা সমান, দুটি করে। মিরাজ-ফরহাদের অবিচ্ছিন্ন অষ্টম উইকেটে ৬৪ বলে এসেছে ৮৫ রান। শেষ চার ওভারে ৫০ রান তোলায় লড়াইয়ের স্কোর পেয়েছে রাজশাহী।

আমাদেরকে অনুপ্রনিত করতে আপনার সুন্দর একটি মন্তব্যই যথেষ্ঠ

About H.M Mohiuddin

I am a professional web developer and social media marketing expert!

Check Also

economic news

বড় গ্রাহকেরা ঋণ নিয়ে পাচার করছেন

বেসরকারি খাতের একটি ব্যাংকের এমডি গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়েছেন, ‘বড় কয়েকজন গ্রাহক ঋণ নিয়ে পাচার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen − four =